Advertising
hemel
Advertising
hemel

সমুদ্রজলে পা ভিজিয়ে খুঁজে বেড়ান নিজের শৈশবকাল

18222410_10154613305984537_9051795714941228511_n

ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী নেমে পড়েন সমুদ্রসৈকতে। সমুদ্রতীরে যাবেন আর জলে পা ভেজাবেন না, তা কি হয়? হয় না বলেই প্রধানমন্ত্রী নেমে পড়েন ঝিনুকফোটা সাগরবেলায়। তিনি অনেকটা সময় খালি পায়ে হাঁটেন। মন ভেজান সমুদ্রের ঢেউয়ের তালে। প্রায় ১৫ মিনিট তিনি সমুদ্রজলে পা ভিজিয়ে খুঁজে বেড়ান নিজের শৈশবকাল।

সমুদ্রের কাছে থেকেও একটিবারের জন্য সাগর তীরে না যাওয়া রীতিমতো যেন অসম্ভব এক ব্যাপার। একজন সাধারণ মানুষ বা রাষ্ট্রনায়ক – কারও পক্ষেই সাগরের কাছে গিয়ে বালুকাবেলায় নেমে একনজর সাগর দেখার লোভ সামলানো কঠিন ব্যাপার।

তারই প্রমাণ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে। কক্সবাজার বিমানবন্দরে বোয়িং চলাচল এবং কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধনের পর সৈকতে নেমে নোনা

সড়ক উদ্বোধন শেষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত সুধী সমাবেশে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর খালি পায়ে নেমে যান ভেজা বালুকাবেলায়। সাগরের মৃদু ঢেউয়ে ভিজে যায় তার পা।

ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সফরসঙ্গীরাও সাগরের পানিতে নেমে দাঁড়ান। এদিন প্রধানমন্ত্রী তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে শৈশবে সমুদ্র দেখার অভিজ্ঞতার কথা বলেন। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনামলে ইনানীর চেনছড়ি গ্রামে বেশ কিছু দিন ছিলেন বঙ্গবন্ধু।

Related posts